Phone:
+88 01927 525364, +88 01712 086102
কমরেড মণি সিং : সোমেশ্বরী পারের কিংবদন্তী বিপ্লবী
Synopsis of the documentary Comrade Moni Sinha: The Legendary Revolutionary
- প্রামাণ্যচিত্র: কমরেড মণি সিং : সোমেশ্বরী পারের কিংবদন্তী বিপ্লবী
- ধরন: জীবনীমূলক / ঐতিহাসিক / রাজনৈতিক
- ভাষা: বাংলা
- দেশ: বাংলাদেশ
- দৈর্ঘ্য: ৬২ মিনিট
- সাবটাইটেল: ইংরেজি
- ফরম্যাট: ডিজিটাল
- নির্মাণকাল: ২০২৪
- গবেষণা, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা: তানভীর মোকাম্মেল
- প্রযোজক: কমরেড মণি সিংহ ট্রাস্ট
- পরিবেশনা: কিনো-আই ফিল্মস
- চিত্রগ্রহণ: রাকিবুল হাসান
- সম্পাদনা: সৈয়দ ওয়াসি উদ্দিন আহমেদ
- পার্শ্বসংগীত: সন্দীপ কুমার মিস্ত্রি
- এনিমেশন: রেজাউর রহমান
- প্রধান নির্বাহী: হাউস অব কেওস
- চিত্রাঙ্কন: আব্দুলাহ আল ফাহাদ
- স্থিরচিত্র গ্রহণ: রতন কুমার দাস
- অতিরিক্ত চিত্রগ্রহণ: সানু মানিক, উদয় শিকদার, অনিরুদ্ধ বিশ্বাস অনিক, দেবদাস সাহা দেবু
- অতিরিক্ত শব্দ: আইয়াজ মোহাম্মাদ খান
- অতিরিক্ত শব্দ গ্রহণ: তারা রেকর্ডিং স্টুডিও
- প্রযোজনা সহকারী: রেদোয়ান হোসেন রিয়াদ, নিবাস চিসিম, ভালো রংমা


কৃতজ্ঞতা স্বীকার
- এম. এম. আকাশ
- অসিত বরণ রায়
- ডা. সাকী খন্দকার
- দিলওয়ার হোসেন
- শাহীনা হাফিজ ডেইজি
- ম. হামিদ
- শামসুল আলম খান
- নজরুল ইসলাম
- মোরশেদ আলম
- হারুন আল রশিদ
- ডা. দিবালোক সিংহ
- কমরেড মণি সিংহ ট্রাস্ট
সারসংক্ষেপ
ময়মনসিংহের সুসঙ্গ-দুর্গাপুরের এক মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান কমরেড মণি সিংহ ১৯০১ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। মণি সিংহ তরুণ বয়সে বৃটিশবিরোধী সশস্ত্র “অনুশীলন” দলে যোগদান করেন। ১৯২৬ সালের দিকে কমিউনিস্ট মতাদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং কলকাতার মেটিয়াবুরুজে শ্রমিক আন্দোলনে যোগ দেন।
কমরেড মণি সিংহ শ্রমিক আন্দোলন করতে গিয়ে ১৯৩০ সালে গ্রেপ্তার হন এবং এরপর প্রায় দীর্ঘ এগারো বছর ভুটান সীমান্তের দুর্গম ও কুখ্যাত বক্সা জেলসহ বৃটিশ ও পাকিস্তান আমলে বিভিন্ন কারাগারে ও প্রায় বিশ বছর আত্মগোপনে ছিলেন। বিপ্লবী মণি সিংহের জীবনের এক বড় সাফল্য ছিল ঐতিহাসিক টঙ্ক আন্দোলন। শোষিত হাজং ও বাঙালী মুসলমান কৃষকদের নিয়ে গারো পাহাড় অঞ্চলে তিনি এক দুর্বার ও সশস্ত্র টঙ্ক আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন এবং চরম শোষণমূলক টঙ্ক প্রথা রদ করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
১৯৪৭-এর দেশভাগের পর কমরেড মণি সিংহ এদেশের কমিউনিস্ট আন্দোলনের প্রধান নেতায় পরিণত হন। কমরেড মণি সিংহ ১৯৫২-র ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪-র “যুক্তফ্রন্ট” নির্বাচন, ১৯৬২-র ছাত্র-যুব আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণ-আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা ছিলেন।
একজন ত্যাগী ও আদর্শনিষ্ঠ বিপ্লবী নেতা হিসেবে কমরেড মণি সিংহ বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা অর্জন করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশ সরকারের স্বাধীনতা পদক (মরণোত্তর) লাভ করেন এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে “অর্ডার অব পিপল্স ফ্রেন্ডশিপ” পদকে ভূষিত হন। ওঁর স্ত্রী কৃষকনেত্রী কমরেড অনিমা সিংহ ১৯৮০ সালে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। ওঁদের একমাত্র সন্তান ডা. দিবালোক সিংহ। কমরেড মণি সিংহ ১৯৯০ সালের ৩১শে ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।
