বনযাত্রী

Synopsis of the documentary Riders to the Sundarbans

  • প্রামাণ্যচিত্র: বনযাত্রী
  • ইংরেজি: Riders to the Sundarbans
  • ধরন: প্রকৃতি ও পরিবেশ প্রামাণ্যচিত্র / সাংস্কৃতিক
  • দৈর্ঘ্য: ৬০ মিনিট
  • ভাষা: বাংলা
  • ফরম্যাট: বেটাক্যাম
  • নির্মাণকাল: ২০০৫
  • প্রযোজনা: অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু
  • প্রযোজক প্রতিষ্ঠান: কিনো-আই ফিল্মস
  • গবেষণা, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা: তানভীর মোকাম্মেল
  • চিত্রগ্রহণ: আনোয়ার হোসেন
  • সম্পাদনা: মহাদেব শী
  • আবহসঙ্গীত: সৈয়দ সাবাব আলী আরজু
  • শব্দ: এম. আবদুস সাত্তার
  • ধারাভাষ্য (কণ্ঠ): খালেদ খান
  • গবেষণা উপদেষ্টা: খসরু চৌধুরী
  • স্থিরচিত্র গ্রহণ: রাকিবুল হাসান
  • গবেষণা ও কৃতজ্ঞতা: রিসার্চ ইনিশিয়েটিভস, বাংলাদেশ (আরআইবি)
  • সহকারী পরিচালক: উত্তম গুহ, সারওয়ার তমিজউদ্দিন, কামাল সরকার, রানা মাসুদ
  • দ্বিতীয় ইউনিট চিত্রগ্রাহক: এইচ.টি.ডব্লিউ. সৈনিক
  • সহকারী চিত্রগ্রাহক: এ. আর. স্বপন, কবির আহমেদ, মাহমুদ হোসেন
  • সহকারী সম্পাদক: মোস্তাফিজুর রহমান, সত্যব্রত রায় কীর্তি, মো. আসেকুল ইসলাম
  • শব্দ সহকারী: নিয়াজ মাহবুব
  • প্রযোজনা সহকারী: জারগিস মোকাম্মেল, দেবদাস সাহা (দেবু), রানা মাসুদ, মোহাম্মদ মানিক, সৈয়দ ওয়াসি উদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ মোহাম্মদ মোতালেব, নিবাস চিসিম, আজিজুর রহমান রুস্তম, মোহাম্মদ নাজিমুদ্দিন
  • কারিগরি সহায়তা: টেকনিশিয়ানস স্টুডিও, ইজু অডিও ভিডিও, ইস্টার্ন পানোরামা, ক্র্যান্ডাসি প্রোডাকশনস, স্পন্দন অডিও ভিডিও কমপ্লেক্স, ধ্রুব এভিকম
প্রামাণ্যচিত্র বনযাত্রী (২০০৫) এর একটি দৃশ্য
প্রামাণ্যচিত্র বনযাত্রী (২০০৫) এর একটি দৃশ্য
প্রামাণ্যচিত্র বনযাত্রী (২০০৫) এর একটি দৃশ্য
প্রামাণ্যচিত্র বনযাত্রী (২০০৫) এর একটি দৃশ্য

কৃতজ্ঞতা স্বীকার

  • অচিন্ত্য কুমার বিশ্বাস
  • শফিক আলম মেহেদী
  • মুহাম্মদ জাকারিয়া
  • মো. বোরহানউদ্দিন
  • মাসুদ হোসেন
  • এম. রফিকুল ইসলাম নাসিম
  • শাহজাহান খান পপুল
  • দ্য বেঙ্গল ট্যুরস

সারসংক্ষেপ

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণে অবস্থিত। সুন্দরবনের মোট আয়তন দশ হাজার বর্গকিলোমিটার, যার মধ্যে বাংলাদেশের অংশ দুই-তৃতীয়াংশ — পাঁচ হাজার সাতশ সত্তর বর্গকিলোমিটার।

সুন্দরবনে ৩৩৪টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ও উদ্ভিদ রয়েছে — যেমন সুন্দরী, গেওয়া, বাইন, কেওড়া, গর্জন, গরান, পশুর, হেঁতাল, গোলপাতা প্রভৃতি। “সুন্দরবন” নামটি সুন্দরী গাছ থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হয়। এখানে বাঘ, চিত্রা হরিণ, বন্য শূকর, রেসাস বানর, গুইসাপ, ডলফিন প্রভৃতি প্রাণী বসবাস করে। এখানে কেউটে, রাজগোখরা, অজগরসহ চৌত্রিশ প্রজাতির সাপ পাওয়া যায়। এখানকার অসংখ্য নদী ও খালে রয়েছে কুমির, উদবিড়াল, হাঙর, কচ্ছপ, কাঁকড়া ও অন্যান্য জলজ প্রাণী।

প্রতি বছর শীতের শুরুতে সুন্দরবনের দক্ষিণ প্রান্তে বঙ্গোপসাগরের তীরে দুবলার চরে অনুষ্ঠিত হয় রাসমেলা। দরিদ্র জেলে ও জেলে বউদের গঙ্গাপূজা, যা একসময় শুরু হয়েছিল বিপজ্জনক বঙ্গোপসাগরকে তুষ্ট করার লক্ষ্যে, তা আজ পরিণত হয়েছে সুন্দরবনের দেবী বনবিবিকে পূজার এক সার্বজনীন রাসমেলা উৎসবে। উৎসবে যাবার সময় জঙ্গলে ঢোকার আগে জেলে, কাঠুরে ও মৌয়ালরা সুন্দরবনের দেবী বনদেবীকে তুষ্ট করে পূজা করে থাকে।

প্রামাণ্যচিত্রটাতে কিছু দরিদ্র কিন্তু সাহসী জেলেবউকে অনুসরণ করা হয়েছে যারা বিপজ্জনক সুন্দরবন পার হয়ে রাসমেলা উৎসবে যোগ দিতে সাগরে যায়।