জাপানী বধূ – The Japanese Wife – 日本妻

Synopsis of the documentary The Japanese Wife

  • প্রামাণ্যচিত্র: জাপানী বধূ – The Japanese Wife – 日本妻
  • ভাষা: বাংলা
  • দেশ: বাংলাদেশ
  • সাব-টাইটেল: ইংরেজি ও জাপানী
  • চিত্রনাট্য কাহিনী ও পরিচালনা: তানভীর মোকাম্মেল (Tanvir Mokammel)
  • ফরম্যাট: ডিজিটাল
  • দৈর্ঘ্য: ৬৭ মিনিট
  • চিত্রগ্রহণ: গোলাম মাসুম (জিকো)
  • সম্পাদনা: মহাদেব শী
  • আবহসঙ্গীত: সৈয়দ সাবাব আলী আরজু
  • ধারাভাষ্য: চিত্রলেখা গুহ, সৈয়দ সাবাব আলী আরজু
  • গবেষণা: মঞ্জুরুল হক, কাজুহিরো ওয়াতানাবে
  • দ্বিতীয় ইউনিট – ক্যামেরা: নাহিদ বাবু, তুলি রায়, দেবদাস সাহা
  • শব্দ: সৈয়দ ওয়াসি উদ্দিন আহমেদ, সুমন চক্রবর্তী
  • সহকারী সম্পাদক: অনির্বাণ ধর, এ.জি.এম. শিমুল
  • প্রযোজনা দল: শানু মানিক, সৈয়দ ওয়াসি উদ্দিন আহমেদ, আরিফ হাসিবুল হাসান, নিবাস চিসিম, আজিজুর রহমান রুস্তম, দানিয়াল সনাল, জোশিয়ো রংমা
  • সহকারী পরিচালক: উত্তম গুহ
  • প্রযোজক প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট
  • সহায়তা: জাপান ফাউন্ডেশন
  • নির্মাণকাল: ২০১২
  • মুক্তি: ১৯৯৯
চিত্রা নদীর পারে চলচ্চিত্রের দৃশ্যে মমতাজউদ্দিন আহমেদ (শশীভূষণ সেনগুপ্ত) এবং রওশন জামিল (অনুপ্রভা)।
চিত্রা নদীর পারে চলচ্চিত্রের দৃশ্যে মমতাজউদ্দিন আহমেদ (শশীভূষণ সেনগুপ্ত) এবং রওশন জামিল (অনুপ্রভা)।
চিত্রা নদীর পারে চলচ্চিত্রটিতে আফসানা মিমি অভিনয় করেছেন মিনতি চরিত্রে।
চিত্রা নদীর পারে চলচ্চিত্রটিতে আফসানা মিমি অভিনয় করেছেন মিনতি চরিত্রে।

ফুটেজ সংক্রান্ত তথ্য
জাপানের মহান চলচ্চিত্র নির্মাতা ইয়াসুজিরো ওজু-র ধ্রুপদী চলচ্চিত্র — “টোকিও স্টোরি”, “ফ্লোটিং উইডস” ও “দি এন্ড অব সামার” থেকে কিছু সাংস্কৃতিক-ঐতিহাসিক ফুটেজ এই প্রামাণ্যচিত্রে ব্যবহার করা হয়েছে।

উৎসর্গ
বাংলাদেশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দের পক্ষ থেকে মহান জাপানি চলচ্চিত্র নির্মাতা ইয়াসুজিরো ওজু-কে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

বিশেষ কৃতজ্ঞতা
প্রফেসর ওহাসি মাসাকি
সুশীল সাহা
উমেজাওয়া কেই

কৃতজ্ঞতা স্বীকার
সুরজিৎ দাশগুপ্ত
মঞ্জু দাশগুপ্ত
মফিদুল হক
আতুশি ওজিমা
কাওরি কুরোদা
জুনকো ইকেদা
কাজি এনসানুল হক
মাসুদুর রহমান
দিলমত আরা মাসুদ
সাজাল বরুয়া
বেলায়াত হোসেন তুহিন
শিনিচিরো ওয়া
কিয়োহাই হাশিমাতো
ইন্টারন্যাশনাল হাউস অব জাপান, টোকিও

কাহিনী সংক্ষেপ

ঢাকা শহরের মেয়ে হরিপ্রভা বসু মল্লিক (১৮৯০-১৯৭২) জাপানের নাগরিক উয়েমন তাকেদাকে বিয়ে করে ১৯১২ সালে জাপানে যান। তাঁর জাপান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি লেখেন “বঙ্গমহিলার জাপান যাত্রা”। ১৯১৫ সালে প্রকাশিত এই বইটি ভারতবর্ষীয় কোনো মহিলার জাপান বিষয়ক প্রথম বই।
১৯৪১ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় শেষবার জাপান সফরের সময় হরিপ্রভা সুভাষ বসুর আজাদ হিন্দ ফৌজের সপক্ষে টোকিও বেতার থেকে বাংলা সংবাদ পাঠ করতেন। যুদ্ধের পর হরিপ্রভা ভারতে ফিরে আসেন এবং ১৯৭২ সালে কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।
হরিপ্রভা তাকেদার অসাধারণ জীবন-কাহিনির পাশাপাশি এই প্রামাণ্যচিত্রে জাপানি ও বাঙালিদের মধ্যে আন্তর্জাতিক বিবাহের জটিলতা এবং আন্তঃসাংস্কৃতিক বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়েছে।