Phone:
+88 01927 525364, +88 01712 086102
তিতাস পারের মানুষটি: শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
Synopsis of the documentary Dhirendranath Dutta: The Man From the Titas
- প্রামাণ্যচিত্র: তিতাস পারের মানুষটি: শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
- ধরন: জীবনীমূলক / ঐতিহাসিক / রাজনৈতিক
- ভাষা: বাংলা
- দেশ: বাংলাদেশ
- দৈর্ঘ্য: ৭৫ মিনিট
- নির্মাণকাল: ২০২৩
- প্রযোজক: কিনো-আই ফিল্মস
- চিত্রনাট্য ও পরিচালনা: তানভীর মোকাম্মেল
- চিত্রগ্রহণ: রাকিবুল হাসান
- সম্পাদনা: মহাদেব শী
- আবহসঙ্গীত: সন্দীপ মিস্ত্রি
- কণ্ঠ (ধারাভাষ্য): চিত্রলেখা গুহ
- প্রধান সহকারী পরিচালক: উত্তম গুহ
- সহকারী পরিচালক: সন্দীপ মিস্ত্রি
- সম্পাদনা সহকারী ও গ্রাফিক্স: সৈয়দ ওয়াসি উদ্দিন আহমেদ
- চিত্রগ্রহণ (ভারত): অনাময় বেরা
- চিত্রগ্রহণ (যুক্তরাজ্য): মকবুল চৌধুরী
- চিত্রগ্রহণ (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র): মুহাম্মাদ তারেক
- দ্বিতীয় ইউনিট চিত্রগ্রহণ: সানু মানিক, এন এম রাসু
- সহ-প্রযোজনা: দেবাশিষ মৃধা
- প্রযোজনা সহকারী: কাওসার আহমেদ, নিবাস চিসিম, ভালো রংমা


কৃতজ্ঞতা স্বীকার
- আরমা দত্ত, সংসদ সদস্যা
- র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, সংসদ সদস্য
- প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, বোর্ড অব ট্রাস্টিজ, ইউনিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- প্রফেসর মাহফুজা খানম
- ড. আনিসুজ্জামান
- কল্যাণ চৌধুরী
- মৃণাল চৌধুরী
- শৈবাল চৌধুরী
- শিবানী সাধুখান
- জয়ন্ত পল
- গৌতম পল
- শুভাশিস পুরকায়স্থ
- নিনা রায়
- সোনালী মেহরা
- মিতালী বসু
- ইন্দ্রাণী দেবচৌধুরাণী
- প্রতিভা মুৎসুদ্দী
- কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট
- হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ
- আবদুল লতীফ
- সঞ্জয় কুমার সাহা
- মিল্টন দেব
- মহসিন আলী
- সামিও শীস
- আনোয়ার খান
- সমীরণ বিশ্বাস
- মারুফ হাসান
- গৌতম বসু
- ড. সারা বানু সুচী
- নন্দকিশোর আগরওয়াল
- তপন কুমার বিশ্বাস
- ড. শহীদুল ইসলাম
- সুমা ইসলাম
- তাজুল মোহাম্মদ
- বিপ্লব কর্মকার
- পার্থ প্রতিম হাওলাদার
- তনুজা মন্ডল
- মেজর দীদার আতোয়ার হোসেন
- ৩৩ পদাতিক ডিভিশন, কুমিল্লা সেনানিবাস
সারসংক্ষেপ
পাকিস্তান সৃষ্টির মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই ১৯৪৮ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি করাচিতে অনুষ্ঠিত পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম সভায় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত একটা সংশোধনী প্রস্তাব আনেন। সংশোধনীতে তিনি বাংলাকেও পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব তোলেন। খুব সহজভাবে এই প্রস্তাবটা আনলেও এর তাৎপর্য ও প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী। অবশ্যই পশ্চিম পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী এই প্রস্তাব মেনে নেয়নি। আর যার ফলশ্রুতিতে পূর্ববঙ্গের বাঙালিরা একসময় বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার ব্যাপারে সোচ্চার হয়ে ওঠে। বাঙালিত্বের জাতীয়তাবাদী চেতনা হয়ে ওঠে তীব্র। শুরু হয় ১৯৪৮ সালে বাংলা ভাষার জন্য প্রথম পর্বের আন্দোলন। পরে যা চূড়ান্ত রূপ নেয় ১৯৫২-র ভাষা আন্দোলনে এবং ঘটে ২১শে ফেব্রুয়ারির গুলির ঘটনা। আর আজ তো ২১শে ফেব্রুয়ারি কেবল বাংলা ভাষার দিবস নয়, বিশ্বজুড়েই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে পরিণত হয়েছে।
বাংলাভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব আনায় ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে পাকিস্তানী শাসকেরা কখনোই ক্ষমা করেনি। তারই ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ২৯শে মার্চ পাকিস্তান সেনাবাহিনী পঁচাশি বছরের বৃদ্ধ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে বন্দি করে এবং এপ্রিল মাসে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে নির্মমভাবে হত্যা করে।
